যোশিমঠ থেকে যখন ভোর ৫টার সময় বেড়োলাম ঝকঝকে আকাশে তখনও কিছু তারা,এক একটা শ্বাসে কনকনে ঠান্ডা বাতাস বুক ভরিয়ে যেন কয়েক বছর আয়ু বাড়িয়ে দিল।চামোলি হয়ে গোপেশ্বরে পৌছতে পৌঁছতেই হালকা মিঠে রোদ্দুর,রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকানে দুধ চা আর জেলেবি দিয়ে ব্রেকফাস্ট সারতে সারতে মনে হল এরকম কিছু জিনিষ আছে বলেই মনে হয় বেঁচে থাকাটা খুব একটা মন্দ নয়।ওখান থেকে সোজা মন্ডলগ্রাম চোপতা হয়ে দুগলভিটা p w d guest house.।ঝকঝকে নীলআকাশ,পাখীর ডাক চকচকে হিমালয়,খুনিকেও কবি বানিয়ে দেবে।১২টায় আলু ভাজি,মসুর ডাল লৌকির সবজি দহি চাপাটি দিয়ে লাঞ্চ সেরে মা আর চিকিকে এখানে রেখে আমি আর বাবা চোপতায়,বেলা ১টা নাগাদ তুঙ্গনাথ চড়তে শুরু করলাম।তুঙ্গনাথ পৃথিবীর সবথেকে উঁচু শিবমন্দির(১২০০০ ফুট)চোপতা থেকে ৩.৫ কি মি শেষের দিকে চড়াই সামান্য কঠিন।পথের দৃশ্য স্বর্গীয়।চোপতা থেকে একটু উঠতেই একটা বুগিয়াল একদিক বরফ ঘেরা হিমালয়ে ঘেরা নিল আকাশের নিচে সবুজ ঘাসে ঢাকা এক টুকরো স্বর্গ,আমরা ওখানে না বসে উঠতে লাগলাম,একটু পরেই আকাশে টুকরো টুকরো মেঘ জমতে শুরু করে টিপটিপ বৃষ্টি পড়তে লাগলো।ওয়াটার প্রুফ পরে নিয়ে উঠতে লাগলাম,৪.৩০ নাগাদ তুঙ্গনাথ পৌঁছে মনে হল এ কোথায় এলাম,মেঘ না কুয়াশা কে জানে ২/৩ হাত দুরের জিনিষও দেখা যাচ্ছে না,লোকজনও বিশেষ নেই অবশ্য নভেম্বরের মাঝামাঝি লোক থাকার ও কথা নয়।,কিন্তু পাহাড়ের এটাই মজা এই মেঘ তো এই রোদ্দুর একটু পরেই নীল আকাশ। তাড়াতাড়ি কয়েকটা ফটো তুলে এক স্হানিয় দোকানির দোকানে থাকার ব্যবস্হা হল।অতি সাধারন ব্যবস্হা,সাড়ে সাতটার সময় কাঁপতে কাঁপতে চাপাটি আর ভিন্ডি সবজি খেয়ে সোজা স্লিপিঙ ব্যাগের মধ্যে অবশ্য তার আগে ঠাকুর কে বলে দিয়েছি সকালে যেন আকাশ পরিষ্কার থাকে।আর কোন কথা নয় ভোরে উঠে চন্দ্রশীলা যেতে হবে, ১.৫ কি মি রাস্তা ১৩০০০ ফুট উঁচু রাস্তা বেশ ক
Search This Blog
Powered by Blogger.
Pages
About Me
Tunganath siv mondir
যোশিমঠ থেকে যখন ভোর ৫টার সময় বেড়োলাম ঝকঝকে আকাশে তখনও কিছু তারা,এক একটা শ্বাসে কনকনে ঠান্ডা বাতাস বুক ভরিয়ে যেন কয়েক বছর আয়ু বাড়িয়ে দিল।চাম...







0 comments:
Post a Comment